পিওকে একদিন নিজেই বলবে ‘ম্যাঁ ভি ভারত হুঁ’: রাজনাথ সিং

22nd September 2025 8:38 pm Country News
পিওকে একদিন নিজেই বলবে ‘ম্যাঁ ভি ভারত হুঁ’: রাজনাথ সিং


প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে জানিয়েছেন, পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর (পিওকে) একদিন স্বতঃস্ফূর্তভাবেই ভারতের অংশ হয়ে উঠবে। তাঁর মতে, এর জন্য সামরিক জয়ের প্রয়োজন হবে না।

রবিবার এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজনাথ সিং বলেন, “পিওকের মানুষ নিজেরাই একদিন বলবে, ‘ম্যাঁ ভি ভারত হুঁ’। তারা ভারতীয় সংবিধানের অধীনে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের সুফল ভোগ করতে চাইবে।”

তিনি আরও দাবি করেন, আজ যেভাবে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখে উন্নয়নের ধারা স্পষ্ট, ঠিক তেমনই পিওকের সাধারণ মানুষও ভারতের মূল স্রোতের অংশ হতে আগ্রহী হবে।

রাজনাথ সিংয়ের বার্তা শুধু কূটনৈতিক নয়, একধরনের আত্মবিশ্বাসী দৃষ্টিভঙ্গিও প্রকাশ করেছে যে, ভবিষ্যতে পিওকের ভবিষ্যৎ ভারতের সঙ্গেই জড়িত থাকবে।

 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।