‘অ্যাটেনশন ডেফিসিট ডিজ়অর্ডার’-এ ভুগছেন আলিয়া! কী এই রোগ? কাদের এই রোগের ঝুঁকি বেশি?

23rd September 2024 2:12 pm Country News
‘অ্যাটেনশন ডেফিসিট ডিজ়অর্ডার’-এ ভুগছেন আলিয়া! কী এই রোগ? কাদের এই রোগের ঝুঁকি বেশি?


‘জিগরা’ ছবির প্রচারের কাজে এখন ব্যস্ত অভিনেত্রী আলিয়া ভট্ট। তারই মাঝে নিজের এক বিরল রোগের কথা জানালেন তিনি। এক সাক্ষাৎকারে নায়িকা বলেন, ‘অ্যাটেনশন ডেফিসিট ডিজ়অর্ডার’-এ আক্রান্ত তিনি।

বিয়ের দিনের কথা মনে করিয়ে অনুরাগীদের সঙ্গে একটি ঘটনা ভাগ করেন আলিয়া। তিনি বলেন, ‘‘আমার বিয়ের দিন, আমার রূপটানশিল্পী পুনিত বলেছিলেন, আলিয়া, এ বার তোমার আমাকে দু’ঘণ্টা সময় দিতেই হবে। আমি ওকে বলি, তুমি তা হলে কাজটাই হারাবে। আমি তোমায় কখনও দু’ঘণ্টা দেব না। আমি আমার বিয়েটা ভাল করে উপভোগ করতে চাই।’’ সাক্ষাৎকারে আলিয়া তার রূপটানশিল্পীকে আরও বলেন, ‘‘৪৫ মিনিটের বেশি সময় ধরে আমি মেকআপের চেয়ারে বসতে পারব না। খুব তাড়াতাড়ি সেরে ফেলতে পারবে এমন মেকআপ করে দাও। আমার ‘অ্যাটেনশন ডেফিসিট ডিজ়অর্ডার’ আছে, তাই কোনও কাজেই খুব বেশি সময় খরচ করার আগ্রহ আমার থাকে না। যা করতে হবে, তাড়াতাড়ি করতে হবে।’’

আলিয়ার এই স্বীকারোক্তির পর থেকেই তাঁর অনুরাগীদের মনে প্রশ্ন জাগতে শুরু করে, ‘অ্যাটেনশন ডেফিসিট ডিজ়অর্ডার’ রোগটি ঠিক কী? ‘অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপারঅ্যাকটিভিটি ডিজ়অর্ডার’ মস্তিষ্কের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি ব্যাধি। শৈশবকাল থেকেই শিশুদের আচরণের মধ্যে বিশেষ কিছু পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। তাদের মধ্যে আত্মনিয়ন্ত্রণ এবং মনোযোগের অভাব হয়, অতিসক্রিয়তা লক্ষ করা যায়। এ ক্ষেত্রে শিশুরা অনেক বেশি আবেগপ্রবণ হয়। বয়স বাড়লেও এই লক্ষণগুলি থেকে যায়।

শিশুদের মধ্যে আর কোন লক্ষণগুলি দেখলে সতর্ক হবেন বাবা-মায়েরা?

 

১. পড়াশোনায় মনোযোগের অভাব ও দৈনন্দিন বিভিন্ন কাজে অসতর্ক হওয়া

 

২. দীর্ঘ ক্ষণ এক জায়গায় স্থির হয়ে বসে থাকতে না পারা

 

৩. সারা ক্ষণ অন্যমনস্ক থাকা

 

৪. চঞ্চল, অস্থির এবং সহজেই বিরক্ত হওয়ার প্রবণতা

 

৫. অতিরিক্ত কথা বলা, কথা বলার সময় অন্যদের বাধা দেওয়ার প্রবণতা

 

৬. ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে না পারা

‘সেন্টারস ফর ডিজিজ় কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন’-এর তথ্য অনুযায়ী সারা বিশ্বের প্রায় ৭.২ শতাংশ শিশুর মধ্যে এই রোগের লক্ষণ ধরা পড়ে। মেয়েদের মধ্যে এই রোগের প্রবণতা বেশি হলেও ছেলেরাও এই রোগে আক্রান্ত হয়।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।