সন্ধ্যার আড্ডায় রকমারি স্ন্যাক্‌স চাই? বানিয়ে ফেলুন মুর্শিদাবাদি মুরগি ভাজা, রইল সহজ রেসিপি

9th September 2024 10:54 pm Country News
সন্ধ্যার আড্ডায় রকমারি স্ন্যাক্‌স চাই? বানিয়ে ফেলুন মুর্শিদাবাদি মুরগি ভাজা, রইল সহজ রেসিপি


বাড়িতে অতিথি আসান মানেই খাওয়াদাওয়া আর হইহুল্লোড়। আড্ডার আসর আরও জমে যায় রকমারি পদের স্বাদ ও গন্ধে। খুব সহজেই বানিয়ে ফেলুন মুর্শিদাবাদি মুরগি ভাজা। রইল রেসিপি।

উপকরণ:

 

৫০০ গ্রাম মুরগির মাংস ( বড় টুকরো করে কাটা)

 

আধ কাপ টক দই

 

২টি পেঁয়াজ

 

১ টুকরো আদা (২ ইঞ্চি মাপের)

 

৭-৮ কোয়া রসুন

 

৭-৮ কোয়া কাঁচা লঙ্কা

 

১ কাপ ধনেপাতা

 

১ চা চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো

 

১ চা চামচ ধনে গুঁড়ো

 

১ চা চামচ আমচুর পাউডার

 

১ চা চামচ পাঁচ ফোড়ন গুঁড়ো

 

১ চা চামচ মাখন

 

১ চা চামচ কাঠকয়লা

 

১ চা চামচ সর্ষের তেল

 

স্বাদমতো নুন

প্রণালী:

 

পেঁয়াজ, আদা, রসুন, কাঁচা লঙ্কা ও ধনেপাতা একসঙ্গে বেটে নিন। একটি বড় বাটিতে প্রথমে ফেটানো টক দই দিন। তাতে বেটে রাখা মশলা, গোলমরিচ গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, পাঁচফোড়ন গুঁড়ো, আমচুর গুঁড়ো, নুন আর সর্ষের তেল মিশিয়ে ভাল করে ফেটিয়ে নিন। তাতে মাংসের টুকরোগুলি ভাল করে মেখে ঘণ্টাখানেক ফ্রিজে রেখে দিন। এ বার ফ্রায়িং প্যানে মাখন গরম করে কবাবগুলি হালকা হালকা করে ভেজে নিন। কবাবগুলি একটি বাটিতে রেখে অপর একটি বাটিতে কাঠকয়লা গরম করুন। বড় বাটির মধ্যে ছোট বাটিটা রেখে তার উপরে ঘি দিয়ে চাপা দিন। রান্না করা মাংসের টুকরোর সঙ্গে কাঠকয়লার বাটি এ ভাবে অন্তত আধ ঘণ্টা রাখুন। কাসুন্দি আর মেয়োনিজের মিশ্রণের সঙ্গে পরিবেশন করুন মুর্শিদাবাদি মুরগি ভাজা।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।