সস্তায় লঞ্চ হল একগুচ্ছ নতুন ইয়ারবাড পাবেন ২৪০ দিন পর্যন্ত স্ট্যান্ডবাই টাইম

28th June 2024 10:48 pm Country News
সস্তায় লঞ্চ হল একগুচ্ছ নতুন ইয়ারবাড পাবেন ২৪০ দিন পর্যন্ত স্ট্যান্ডবাই টাইম


Lyne Coolpods 39 ইয়ারবাড অ্যাক্টিভ নয়েজ ক্যান্সেলশন (এএনসি) ফিচার এবং ২৪০ দিন পর্যন্ত স্ট্যান্ডবাই টাইম অফার করবে।অ্যাক্সেসরিজ ব্র্যান্ড Lyne ভারতে একগুচ্ছ নতুন ট্রুলি ওয়্যারলেস স্টেরিও (TWS) ইয়ারফোন সিরিজ লঞ্চ করেছে, যার মধ্যে রয়েছে Coolpods 27, Coolpods 37, Coolpods 38 এবং Coolpods 39।এর মধ্যে শেষের তিনটি ইয়ারবাড আইপিএক্স৩ রেটিং সহ এসেছে, আর Coolpods 27 এসেছে আইপিএক্স৪ রেটিংয়ের সাথে। এদিকে Lyne Coolpods 39 অ্যাক্টিভ নয়েজ ক্যান্সেলশন (এএনসি) ফিচার এবং ২৪০ দিন পর্যন্ত স্ট্যান্ডবাই টাইম অফার করবে।Lyne Coolpods 27, Coolpods 37, Coolpods 38 এবং Coolpods 39 ইয়ারবাডের দামলিন কুলপডস ২৭ এর দাম ২,৩৯৯ টাকা রাখা হয়েছে এবং এটি ব্ল্যাক, ব্লু, ম্যাজেন্টা রঙে পাওয়া যাবে। আর কুলপডস ৩৭ এবং কুলপডস ৩৮ এর মূল্য ধার্য করা হয়েছে ৩,২৯৯ টাকা এবং এটি ব্ল্যাক, ব্লু, হোয়াইট শেডে এসেছে। এদিকে লিন কুলপডস ৩৯ এর দাম রাখা হয়েছে ৩,৯৯৯ টাকা এবং একে ব্ল্যাক, বেইজ, পার্পেল রঙের মধ্যে বেছে নেওয়া যাবে।Lyne Coolpods 27, Coolpods 37, Coolpods 38 এবং Coolpods 39 ইয়ারবাডের ফিচারলিন কুলপডস ২৭ এর সাথে ব্লুটুথ ৫.৩ কানেক্টিভিটি দেওয়া হয়েছে, যা ১০ মিটার পর্যন্ত রেঞ্জ অফার করবে। এটি ফুল চার্জে ৪০ ঘন্টা পর্যন্ত নন-স্টপ গান শুনতে দেয়। ইয়ারবাডটি আইপিএক্স৪ রেটিং সহ আসায় জল প্রতিরোধী। অন্য দুটি ইয়ারবাড, কুলপডস ৩৭ এবং কুলপডস ৩৮ -কে গেমারদের কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয়েছে এবং এগুলি আইপিএক্স৩ রেটিংয়ের অফার করে। ইয়ারবাডগুলিতে ফুল চার্জে ব্যবহারকারীরা ৩০ ঘণ্টা পর্যন্ত মিউজিক প্লেব্যাক টাইম পাবেন। দাবি করা হয়েছে যে এই ইয়ারবাড দুটি থেকে একবার চার্জে ৩০০ ঘন্টা পর্যন্ত স্ট্যান্ডবাই টাইম পাওয়া যাবে।লাইনআপের সর্বাধিক প্রিমিয়াম ইয়ারবাড হিসাবে আসা, কুলপডস ৩৯-এ এএনসি ফিচার সাপোর্ট করবে। সংস্থার তরফে দাবি করা হয়েছে যে এই ইয়ারবাড ৫০ ঘন্টা পর্যন্ত মিউজিক প্লেব্যাক টাইম, ৫৫ ঘন্টা পর্যন্ত টকটাইম এবং ২৪০ দিন পর্যন্ত স্ট্যান্ডবাই টাইম পাবে। এই ইয়ারবাড ব্লুটুথ ৫.৩ কানেক্টিভিটি সহ এসেছে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।