যোগ্যশ্রী প্রকল্পে এবার সংখ্যালঘু ওবিসি ও জেনারেল ছাত্রছাত্রীরাও ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

11th June 2024 8:37 pm Country News
যোগ্যশ্রী প্রকল্পে এবার সংখ্যালঘু ওবিসি ও জেনারেল ছাত্রছাত্রীরাও ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর


ওয়াল ব্যুরো: তফসিলি জাতি ও উপজাতি শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের বিনামূল্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স, নিটের মতো পরীক্ষার প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকার চালু করেছে 'যোগ্যশ্রী' প্রকল্প। সেই প্রকল্প কতটা সফল তার ব্যাখ্যা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পাশাপাশি এও জানালেন, এই প্রকল্পের পরিসর আরও বাড়াচ্ছে সরকার।এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এই স্কিমে এবার সংখ্যালঘু, ওবিসি এবং জেনারেল ক্যাটেগরি ছাত্রছাত্রীকেও যুক্ত করা হবে। তাঁর বক্তব্য, ''এই প্রকল্প আমাদের এসসি-এসটি ছেলেমেয়েদের জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পথে খুবই কাজে লাগছে। প্রকল্পের বিপুল সাফল্যে উৎসাহিত হয়ে এটাকে আমরা আরো বড় আকারে করছি। এখন ক্লাস ১১ থেকেই প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু হবে। এতে ছেলেমেয়েরা আরো ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারবে।''জয়েন্ট এন্ট্রান্স, নিট পরীক্ষার পাশাপাশি তফসিলি জাতি ও উপজাতির ছেলেমেয়েদের সরকারি চাকরির পরীক্ষার জন্য বিনামূল্যে প্রশিক্ষণও দেওয়া হয় এই প্রকল্পে। এতদিন রাজ্যে মোট ৪৬টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে বছরে ২৩০০ জন শিক্ষার্থীকে এই প্রশিক্ষণ বিনামূল্যে দিচ্ছিল সরকার। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যজুড়ে মোট ৫০টি সেন্টার খোলা হয়েছে। ক্লাস ১১ থেকেই প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু হবে।এই প্রকল্প কতটা সফল তার একটা খতিয়ানও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, ''২০২৪ সালের পরীক্ষাতেই 'যোগ্যশ্রী' ছেলেমেয়েরা জেইই (অ্যাডভান্সড) পরীক্ষায় ২৩টি র‍্যাঙ্ক (১৩টি আইআইটি র‍্যাঙ্ক সহ), জেইই (মেইন)-এ ৭৫টি র‍্যাঙ্ক, ডব্লিউবিজেইই-এ ৪৩২টি র‍্যাঙ্ক এবং এনইইটি-এ ১১০টি র‍্যাঙ্ক পেয়েছে। এইসব কঠিন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ফলাফল আগের বছরের ফলাফলের চেয়েও অনেক ভাল।'' মমতার আশা, এই প্রকল্পের মাধ্যমেই পিছিয়ে পড়া শ্রেণির ছেলেমেয়েরা আরও অনেক বেশি সংখ্যায় ইঞ্জিনিয়ার এবং ডাক্তার হতে পারবে।

 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।