সবসময় চলছে এসি বিদ্যুতের বিল দেখে চোখ ছানাবড়া মানুন ৮ ট্রিকস রেহাই নিশ্চিৎ

24th April 2024 7:30 pm Country News
সবসময় চলছে এসি বিদ্যুতের বিল দেখে চোখ ছানাবড়া মানুন ৮ ট্রিকস রেহাই নিশ্চিৎ


এসি ব্যবহারের সময়ে বেশ কয়েকটি ভুল না করলে বিদ্যুতের বিল সাশ্রয় হয়। আটটি ট্রিক ফলো করলেই বিদ্যুতের খরচ প্রায় অর্ধেক হয়ে যাবে।

১. বীভৎস গরম পড়েছে । শেষ কবে এমন গরম পড়েছিল অনেকেই মনে করতে পারছেন না। এসি চললেও সিলিং ফ্যান চালু রাখতে হবে।এসির সঙ্গে সিলিং ফ্যান ব্যবহার করুন এতে কুলিং-এর গতি বাড়বে । পাখার হাওয়ায় এসির ঠান্ডা বাতাস দ্রুততার সঙ্গে ঘরে ছড়িয়ে পড়বে। ফলে এসি বা তার কম্প্রেসারের উপরে চাপ কম পড়ে। এরফলে এসির কম্প্রেসারের উপরে কম চাপ পড়লে বিদ্যুতের কম পোড়ে।

২. বারবার এসি অন বা অফ করবেন না। অনেকেরই স্বভাব আছে একটু কম এসি চালিয়ে ফের এসি বন্ধ করে দেওয়া। একটানা এসি চললে নির্দিষ্ট সময়ের পরে কম্প্রেসারটি বন্ধ হয়ে যায়। বারবার এসি বন্ধ করলে চালু করার সময়ে বারেবারে ধাক্কা লাগে কম্প্রেসারে। বারাবার এসি অফ অন করলে বিদ্যুতের বিল বেড়ে যায় এক ধাক্কায় অনেকটাই।

৩. দাম একটু বেশি হলেও সর্বদা ৫ স্টার এসি ব্যবহার করুন। টাকা বাঁচানোর জন্য অনেকেই ৩ স্টার এসি ব্যবহার করেন। বিশেষজ্ঞদের মত ৫ স্টার এসির দাম যেমন বেশি সেটি একবার কিনে নিলে প্রতি মাসে বড় অঙ্কের টাকা বিল দেওয়ার সমস্যা আর থাকেনা।

৪. এসির তাপমাত্রা নির্দিষ্ট রাখুন। ১৮-য় না রেখে সেটি ২৫ রাখলে প্রায় ৩০ শতাংশ কমে যায় এসির খরচ। এসির তাপমাত্রা যত কমবে কম্প্রেসারে তত বেশি চাপ পড়বে আর বিদ্যুতের বিল বাড়বে ।

৫. এসির আউটডোর ইউনিট প্রখর রোদে কোনও ভাবেই রাখবেন না। কেননা গ্রীষ্মের প্রখর রোদে কম্প্রেসারকে স্বাভাবিকের থেকে বেশি সময় ধরে চলতে হয়। সেই কারণেই বাড়ে বিদ্যুতের বিল বাড়বে।

৬. নিয়ম করে এসি সার্ভিস করতে হবে। গরম পড়ার সঙ্গে সঙ্গে এয়ার কন্ডিশনারে জমে থাকা ধুলো বালি মুক্ত করতে হবে। এতে কুলিং-এর পদ্ধতিও ভাল হয়।

৭. এসি চলার সময়ে দরজা জানলা সম্পূর্ণ রূপে বন্ধ রাখতে হবে। প্রয়োজনে দরজা জানলা মোটা সিল করে দিন এসি চলার সময়ে।

৮. ঘরে এসি চলার সময়ে অন্য সমস্ত ইলেকট্রনিক যন্ত্র বন্ধ রাখুন। এতে অর্থাৎ টিভি, ফ্রিজ, কুলার ইত্যাদি বন্ধ রাখুন। 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।