মুখ ফেটে চৌচির ঝরছে রক্তএ কী অবস্থা প্রিয়াঙ্কার?

17th April 2024 9:50 pm Country News
মুখ ফেটে চৌচির ঝরছে রক্তএ কী অবস্থা প্রিয়াঙ্কার?


অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া কি আঘাত পেয়েছেন? সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি যে ছবি পোস্ট করেছেন তাতে মুখে ক্ষত চিহ্ন, এবং রক্তের দাগ স্পষ্ট। কী হয়েছে অভিনেত্রীর?বর্তমানে আমেরিকায় নয়, অভিনেত্রী শুটিং করছেন ফ্রান্সে।হেডস অফ স্টেট সিরিজের শুটিংয়ে ব্যস্ত অভিনেত্রী।সেই সিরিজের একশন দৃশ্যের শুটিং করতে গিয়েই আঘাত পেলেন দেশী গার্ল। মুখে ক্ষত বিক্ষত দাগ। রক্ত ঝরছে। অভিনেত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন সেই সব তথ্য।এই সিরিজে তাঁকে বেশ মাত্রায় মারপিট এবং লাফ ঝাঁপ করতে দেখা যাচ্ছে। ফলেই, বডি ডাবলের ব্যবহার না করেই অভিনেত্রী নিজেই সেসব করছেন। ফলেই চোট পেয়েছেন তিনি। অভিনেত্রী মুখে ক্ষত বিক্ষত দাগ নিয়েই লিখলেন… প্রিয়াঙ্কার পোস্ট…না জানি, এত বছরে কতবার আহত হওয়ার ছবি পোস্ট করেছি। শুটিং করতে গিয়ে, আঘাত লাগা নেহাতই সাধারণ ঘটনা। যদিও তাঁর চোট গুরুতর নয়। কিন্তু ভক্তরা বেশ উদ্বিগ্ন। এদিকে, ফ্রান্সে গিয়ে মেয়ের সঙ্গেও সময় উপভোগ করছেন প্রিয়াঙ্কা। তাঁকেও সময় দিচ্ছেন তিনি।উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই ভারতে এসেছিলেন তিনি। বোন মান্নারার জন্মদিনে উপস্থিত ছিলেন। হোলি পার্টি দিয়েছিলেন নিক এবং তিনি। তাঁর আগেই অবশ্য নতুন কাজের ঘোষণা করেছিলেন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।