সারা দিন ঝিমুনি আসে, কিন্তু রাত হলেই ঘুম উধাও? দু’চোখের পাতা এক করতে খেতে পারেন ৩ খাবার

27th March 2024 11:59 pm Country News
সারা দিন ঝিমুনি আসে, কিন্তু রাত হলেই ঘুম উধাও? দু’চোখের পাতা এক করতে খেতে পারেন ৩ খাবার


সারা দিনের ব্যস্ততা, পরিশ্রম শেষে একরাশ ক্লান্তি নিয়ে বাড়ি ফিরতেই ঘুমে জড়িয়ে আসে চোখ। বাইরের পোশাক না বদলেই বিছানার নরম গদিতে ডুবে যেতে ইচ্ছা করে। ঘুমচোখে রাতের খাবার কোনও মতে খেয়ে বিছানায় আসতেই অদ্ভুত ভাবে ঘুম উধাও হয়ে যায়। সারা রাত বিছানায় এ পাশ-ও পাশ করেও ঘুম আর ফেরে না। ঘুমের জন্য মরিয়া চেষ্টা করেও দু’চোখের পাতা এক করা যায় না। দীর্ঘ দিন এমন চলার পর অনেকেই ঘুমের ওষুধ খাওয়া শুরু করেন। তবে ঘুমের ওষুধ খেয়ে ঘুমোনোর বদলে স্বপ্নের দেশে পৌঁছতে ভরসা রাখতে পারেন কিছু খাবারের উপর। রাতে ঘুম না এলে সেগুলি খেয়ে দেখতে পারেন। এক ঘুমে ভোর হবে।

ডার্ক চকোলেট

 

ঘুম আসছে না বলে বিছানায় শুয়ে ছটফট করার বদলে ফ্রিজ খুলে এক টুকরো ডার্ক চকোলেট খেতে পারেন। ঘুম চলে আসবে দ্রুত। ডার্ক চকোলেট ‘হ্যাপি হরমোন’ সেরেটোনিন ক্ষরণ করে। এই হরমোন মন শান্ত করে। ফলে ঘুম এসে যায়। পুষ্টিবিদেরাও অনিদ্রার সমস্যায় ডার্ক চকোলেট খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

পিনাট বাটার

 

ঘুম না এলে সেই মুহূর্তে এক চামচ পিনাট বাটার খেয়ে দেখতে পারেন। কিছু ক্ষণের মধ্যেই ঘুম চলে আসবে। পিনাট বাটার রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখে। সেই সঙ্গে পেশিগুলি নমনীয় করে তোলে। পিনাট বাটারে ট্রিপটোফ্যান আছে। যা মেলাটোনিন উৎপাদন করে। মেলাটোনিন দ্রুত ঘুম আনে।

কলা

 

অনিদ্রার সমস্যায় কলা অত্যন্ত উপকারী। কারণ এতে ম্যাগনেশিয়াম রয়েছে। এই উপাদান মেলাটোনিন উৎপাদন বৃদ্ধি করে। এ ছাড়া দেহঘড়ির ভারসাম্য বজায় রাখতেও কলার ভূমিকা অনবদ্য। ঘুম না এলে কলা খেতে পারেন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।