ছানা বানিয়ে জল ফেলে দেন? তাতেও রয়েছে নানা রোগের সমাধান, কী ভাবে ব্যবহার করবেন রান্নায়?

8th March 2024 9:20 pm Country News
ছানা বানিয়ে জল ফেলে দেন? তাতেও রয়েছে নানা রোগের সমাধান, কী ভাবে ব্যবহার করবেন রান্নায়?


অনেকেই নিয়মিত ছানা খেতে পছন্দ করেন। কখনও ছানার কোফতা, কখনও আবার ডালনা বানিয়ে ফেলেন দুপুর কিংবা রাতের খাবারে। অনেকে আবার শুধু শুধু ছানা খেতেই পছন্দ করেন। বাড়িতে বানানো টাটকা ছানা দিয়েই সেরে ফেলেন প্রাতরাশ। ছানায় ক্যালশিয়াম ও ভিটামিন ডি থাকে, যা হাড় শক্ত রাখে। অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের জন্য ছানা খাওয়া বেশ উপকারী। ফসফরাস থাকার ফলে ছানা খাবার হজমেও সাহায্য করে। ছানায় প্রোটিনও থাকে ভাল মাত্রায়। তবে শুধু ছানাতেই নয়, ছানার জলেও রয়েছে অনেক গুণাগুণ। দুধ কাটিয়ে ছানা তৈরি করার পরে সেই জল সাধারণত ফেলে দেওয়া হয়। খেতে ভাল না হলেও, এতেই রয়েছে বেশ কয়েকটি উপকারিতা।

ছানার জলে অ্যালবুমিন ও গ্লোবিউলিন নামে দু‌’টি প্রোটিন থাকে। এ ছাড়াও এতে থাকে কার্বহাইড্রেট ও ল্যাকটোজ়। ছানায় রিবোফ্ল্যাভিন নামে একটি ভিটামিন থাকে, যা শারীরিক বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং শরীরে শক্তির জোগান দেয়। এ ছাড়াও শরীরে হরমোনের মাত্রা ওঠানামা করলে, কিডনির সমস্যা, হার্টের সমস্যা, নিম্ন রক্তচাপ থাকলেও ছানার জল খেতে পারেন। পেশি শক্ত করতে ও শরীরে রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে ছানার জল।

 

কী ভাবে খাবেন ছানার জল?

১) রুটির বানানোর সময়ে ছানার জল দিয়েই আ‌টা মেখে নিতে পারেন।

 

২) যে কোনও ফলের রসের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। কোনও কিছু রান্না করলে টোম্যাটো, তেঁতুল ও দইয়ের বদলে অল্প মিশিয়ে নিতে পারেন ছানার জল।

৩) স্মুদি কিংবা স্যুপ বানানোর সময়ে অল্প ছানার জল মেশাতে পারেন।

 

৪) বেক করার সময়ও ছানার জল কাজে আসে।

 

রূপচর্চার ক্ষেত্রেও ছানার জল খুবই উপকারী। ছানার জল দিয়ে নিয়মিত মুখ ধুলে ত্বক মোলায়েম ও সতেজ থাকে। গরমে মুখের অতিরিক্ত তেল থেকে মুক্তি পেতে বেসন অথবা আটার সঙ্গে ছানার জল মিশিয়ে মুখে মাখতে পারেন। গরমে ট্যানের সমস্যা দূর করতেও ছানার জলের জুড়ি মেলা ভার। রোদ থেকে এসে তাই আলু ও শশার রসের সঙ্গে ছানার জল মিশিয়ে নিয়মিত মুখে লাগান। কালো ছোপ দূর হবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।