ওজন ঝরাতে রোজ রোজ ওট্‌স খাচ্ছেন? ৩ ভুলেই ভেস্তে যাবে সমস্ত পরিকল্পনা

3rd March 2024 10:28 pm Country News
ওজন ঝরাতে রোজ রোজ ওট্‌স খাচ্ছেন? ৩ ভুলেই ভেস্তে যাবে সমস্ত পরিকল্পনা


চটজলদি ওজন ঝরাতে সবার আগে ডায়েটে বদল আনা জরুরি। স্বাস্থ্যকর ডায়েট মেনেই অনেকে সকালে প্রাতরাশের টেবিলে ওট্‌স খাওয়া শুরু করেন। ওট্‌সে রয়েছে ভরপুর মাত্রায় প্রোটিন, ফাইবার ও নানা ধরনের খনিজ পুষ্টির উপাদান। তা ছাড়া ওট্‌সে ক্যালোরি থাকে কম। তবে দিনের পর দিন ওট্‌স খেয়েও যখন ওজন কমে না, তখন ধরেই নিতে হয়, ওট্‌স খাওয়ার ধরনে কোনও গলদ রয়েছে। জেনে নিন ওট্‌স খাওয়ার সময় কোন কোন ভুল করা যাবে না।

১) ওট্‌স কেনার সময় সতর্ক থাকুন। বাজারে তিন ধরনের ওট্‌স পাওয়া যায়। স্টিল কাট ওট্‌স, রোলড ওট্‌স এবং ইনস্ট্যান্ট ওট্‌স। এদের মধ্যে স্টিল কাট ওট্‌স কেনাই সবচেয়ে ভাল। এতে বাকি দু’টির মতো রাসায়নিক মেশানো থাকে না। আবার এতে ফাইবারের পরিমাণও অনেক বেশি। ওজন ঝরানোর ডায়েটে স্টিল কাট ওট্‌স রাখুন।

২) কতটা খাচ্ছেন সে দিকেও নজর রাখুন। মাত্রাতিরিক্ত কোনও কিছুই খাওয়া ভাল নয়। ওট্‌স এমনিতেই দীর্ঘ ক্ষণ পেট ভর্তি করে রাখতে পারে। তাই পরিমাণ বুঝে ও ক্যালোরি মেপে ওট্‌স খান। ওটমিল বানানোর সময়ে চিনি দেন? চিনি মিশিয়ে ওট্‌স খেলে রোগা হওয়ার কথা কিন্তু আপনাকে ভুলতে হবে। একান্তই যদি মিষ্টি কোনও কিছু মেশাতে চান, তা হলে মধু বা ম্যাপল সিরাপ মেশাতে পারেন। তার বদলে ওট্‌সের সঙ্গে পছন্দের ফল, বাদাম মেশাতে পারেন। তবে মিষ্টি ফল বা খেজুরও কিন্তু হতে পারে চিনির বিকল্প।

৩) রোগা হতে চাইলে দই বা দুধ দিয়েই ওট্‌স খান। ওট্‌সের খিচুড়ি, ওট্‌সের উপমা বা ওট্‌সের কুকিজ় খেতে সুস্বাদু হলেও, এতে মশলা থাকায় এগুলি ওজন কমানোর ক্ষেত্রে তেমন সহায়ক নয়।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।