এবার থেকে প্রতিদিন এই পরিমাণ টাকা তোলা যাবে ATM থেকে নয়া নির্দেশিকা জারি করল RBI

10th February 2024 7:56 pm Country News
এবার থেকে প্রতিদিন এই পরিমাণ টাকা তোলা যাবে ATM থেকে নয়া নির্দেশিকা জারি করল RBI


যুগের অগ্রগতির সাথে সাথে মানুষের চাহিদা বেড়েছে আধুনিক প্রযুক্তির। হাতে থাকা স্মার্টফোন হোক কিংবা স্মার্ট ওয়াচ, সর্বক্ষেত্রে প্রযুক্তির অভূতপূর্ব ব্যবহার নিজের করে পেতে চায় সবাই। বর্তমানে কেনাকাটা হোক কিংবা হাত খরচ, প্রত্যেক ক্ষেত্রেই বেড়েছে অনলাইন পেমেন্টের প্রচলন। বর্তমানে স্মার্ট ফোনধারী প্রত্যেক ব্যক্তি ক্যাশ পরিবহনের চেয়ে অনলাইন ট্রানজেকশন করতে বেশি পছন্দ করেন।যার ফলে বর্তমান যুগে কমেছে ATM কার্ডের ব্যবহারও।তবে কয়েক বছর আগে এই এটিএম কার্ড মানুষকে প্রশস্তি দিয়েছিল ব্যাংকের লম্বা লাইন থেকে। তবে সেই এটিএম কার্ডের ব্যবহার সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য অনেকেই জানেন না। কিংবা প্রতিদিন কত টাকা পর্যন্ত ট্রানজেকশন করা সম্ভব, সে সম্পর্কেও পূর্ণ তথ্য জানেন না অনেকেই। আজকের নিবন্ধে আমরা আপনাদের জানাতে চলেছি, কোন ব্যাংকে দৈনিক কত টাকা পর্যন্ত এটিএম কার্ডের মাধ্যমে উত্তোলন করা সম্ভব। চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক-প্রথমেই আমরা আপনাদের বলে রাখি, যেকোনো ব্যাংক তার গ্রাহকদের জন্য সর্বমোট ৩ প্রকার এটিএম কার্ড ধার্য করে থাকে। প্রত্যেক প্রকার এটিএম কার্ডের মাধ্যমে আলাদা আলাদা সীমা পর্যন্ত অর্থ উত্তোলন করতে পারেন গ্রাহক। চলুন আজকের নিবন্ধে জেনে নেওয়া যাক, প্লাটিনাম RuPay ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে একজন ব্যক্তি সর্বমোট কত টাকা অবধি উত্তোলন করতে পারেন-

SBI ব্যাংক: এই ব্যাংকে সর্বনিম্ন ১০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৪০,০০০ টাকা পর্যন্ত উত্তোলন করা সম্ভব। এছাড়া দৈনিক ৭৫,০০০ টাকা পর্যন্ত ট্রান্সফার করা সম্ভব।

HDFC ব্যাংক: এইচডিএফসি ব্যাঙ্কের এটিএম কার্ডের মাধ্যমে দৈনিক ২৫ হাজার টাকা উত্তোলন এবং ২.৭৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘরোয়া কেনাকাটা করা সম্ভব।

Yes ব্যাংক: এই ব্যাংকের এটিএম কার্ডের মাধ্যমে দৈনিক ২৫ হাজার টাকা উত্তোলন এবং ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ট্রান্সফার করা সম্ভব।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।