স্মুদি খেয়েই নাকি কমবে মাইগ্রেনের যন্ত্রণা জানালেন পুষ্টিবিদ, তার সাথে রেসিপিও সবার সাথে ভাগ করে নিলেন পুষ্টিবিদ

10th February 2024 10:30 am Country News
স্মুদি খেয়েই নাকি কমবে মাইগ্রেনের যন্ত্রণা জানালেন পুষ্টিবিদ, তার সাথে রেসিপিও সবার সাথে ভাগ করে নিলেন পুষ্টিবিদ


মাথার এক দিকে সইতে না পারা যন্ত্রণা, সঙ্গে বমি বমি ভাব— মাইগ্রেনের এই সব সমস্যার সঙ্গে অনেকেই পরিচিত। এই রোগ মূলত বংশগত, তবে রোজের জীবনে কিছু খারাপ অভ্যাসও মাইগ্রেনের সমস্যা ডেকে আনে। অতিরিক্ত চিনি খাওয়া, কম ঘুমোনো, জল কম খাওয়া, দীর্ঘ ক্ষণ খালি পেটে থাকার কারণেও মাইগ্রেনের সমস্যা বেড়ে যায়। এ ছাড়া, দীর্ঘ ক্ষণ রোদে থাকলে ও মরসুম বদলের সময়ে মাইগ্রেনের যন্ত্রণায় কাবু হন অনেকেই।

প্রাতরাশে একটা স্মুদি খেলেই নাকি মাইগ্রেনের সমস্যা থেকে নিস্তার পেতে পারেন আপনি, এমনটাই দাবি করেছেন পুষ্টিবিদ কিরণ কুকরেজা। তিনি বলেছেন, মাইগ্রেনের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে জীবনধারায় বদল আনার পাশাপাশি ডায়েটের দিকেও নজর দিতে হবে। নিজের ইনস্টাগ্রামে একটি স্মুদির রেসিপি ভাগ করে নিয়ে পুষ্টিবিদ লিখেছেন, ‘‘বাদাম, পোস্ত এবং আখরোটের মতো উপাদানগুলি ম্যাগনেশিয়ামে সমৃদ্ধ। ম্যাগনেশিয়াম রক্তনালিগুলিকে শিথিল করতে সাহায্য করে। এর ফলে মাইগ্রেনের যন্ত্রণা থেকে রেহাই মেলে ও ঘন ঘন মাইগ্রেনের আক্রমণ থেকেও নিস্তার পাওয়া যায়।’’

 

কী ভাবে তৈরি করবেন মাইগ্রেনের সুস্বাদু দাওয়াইটি?

উপকরণ:

 

কাঠবাদাম: ৫টি

 

আখরোট: ২টি

 

পোস্ত: ১ টেবিল চামচ

 

খেজুর: ২ টি

 

দুধ: ১৫০-২০০ মিলিলিটার

 

পদ্ধতি:

 

একটি পাত্রে খানিকটা জল নিয়ে তাতে কাঠবাদাম, আখরোট আর পোস্ত তিন থেকে চার ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। এ বার মিশ্রণটি থেকে জল ঝরিয়ে নিন। একটি মিক্সিতে মিশ্রণটি ঠেলে তার সঙ্গে দুধ আর খেজুর মিশিয়ে ভাল করে বেটে নিন। তৈরি হয়ে যাবে মাইগ্রেনের দাওয়াই সুস্বাদু স্মুদি।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।