৫ নিয়ম মেনে চললেই বছরের পর বছর চকচকে থাকবে সাধের অক্সিডাইজ়ড গয়না। জেনে নিন নিয়মগুলি

2nd February 2024 6:07 pm Country News
৫ নিয়ম মেনে চললেই বছরের পর বছর চকচকে থাকবে সাধের অক্সিডাইজ়ড গয়না। জেনে নিন নিয়মগুলি


বন্ধুর বিয়ে হোক কিংবা অফিসের কোনও পার্টি, অক্সিডাইজ়ড গয়না সব সময়ই থাকে তরুণীদের পছন্দের তালিকার শীর্ষে। ৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০০০ টাকা— হরেক রকম দামে শহরের বিভিন্ন বাজারে পাওয়া যায় এই গয়না। শাড়ি হোক বা কুর্তি, সালোয়ার হোক বা ওয়েস্টার্ন কোনও পোশাক, সঠিক অক্সিডাইজ়ড গয়না বাছাই করলে সব পোশাকের সঙ্গেই ভাল মানায়। দেখতে ভাল লাগলেও এক বার কালো হতে শুরু করলে শত চেষ্টা করেও আর হারানো জেল্লা ফিরে পাওয়া যায় না এই সব গয়নার। অনেক সময়ই গয়না পরার সময় নানা অনিয়মে গয়নায় কালচে রঙের পরত পরতে শুরু করে। সাধের গয়নাগুলি কী ভাবে নতুনের মতো রাখবেন, রইল সহজ টোটকা।

১) বাইরে থেকে ফিরেই কোনও মতে গয়নাগাটি খুলে ড্রেসিং টেবিলে ফেলে রাখেন? গয়নায় ঘাম লেগে থাকলে তার জেল্লা নষ্ট হয়ে যায়। ঘামে নুন থাকে, যা অক্সিডাইজ়ড গয়নার সঙ্গে বিক্রিয়া করে রং কালচে করে দেয়। তাই পরিষ্কার কাপড় দিয়ে গয়নাগুলি মুছে তার পরেই বাক্সে ভরুন।

 

২) খোলা জায়গায় অক্সিডাইজ়ড গয়না ফেলে রাখবেন না। সব সময় গয়নাগুলি জিপলক পাউচে ভরে গয়নার বাক্সে রাখুন। গয়নার বাক্স বার বার খোলা হলেও গয়নার উপর বাতাসের পরত লাগবে না।

৩) সোনার গয়না ময়লা হলে হলুদ জলে কেউ ডুবিয়ে রাখেন, রুপোর গয়নায় ময়লা জমলে পেস্ট দিয়ে পরিষ্কার করা হয়। তবে অক্সিডাইজ়ড গয়নায় ময়লা ভুলেও পরিষ্কার করতে যাবেন না, তাতে আরও বিগড়ে যাবে গয়নার হাল।

৪) একটি বড় বাক্স কিনে একসঙ্গে সব গয়না ভরে রাখেন? অক্সিডাইজ়ড গয়না কালো হয়ে যাওয়ার পিছনে অন্যতম কারণ হতে পারে এই ভুল । তাই আলাদা আলাদা পাউচে ভরে গয়নাগুলি রাখলে দীর্ঘ দিন সেগুলি ব্যবহারের যোগ্য থাকবে।

 

৫) সাজের একেবারে শেষে গয়না পরুন। গয়নার উপরে পারফিউম, ডিও ব্যবহার করলেই সেগুলি কালচে হয়ে যেতে পারে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।