ভারতীয় রেলে কাজের সুযোগ, কারা আবেদন করতে পারবেন? আবেদনের শেষ দিন কবে?

17th January 2024 10:21 am Country News
ভারতীয় রেলে কাজের সুযোগ, কারা আবেদন করতে পারবেন? আবেদনের শেষ দিন কবে?


ভারতীয় রেলে কাজের সুযোগ। এই মর্মে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম রেলের তরফে মোট ৬৭২ জনকে শিক্ষানবিশ (অ্যাপ্রেন্টিস) হিসাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষিতদের বয়স ১৫ থেকে ২৪ বছরের মধ্যে হতে হবে, তবেই তাঁরা এই প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন।

তবে, দশম উত্তীর্ণ পদপ্রার্থীদের ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর ভোকেশনাল ট্রেনিং (এনসিভিটি) অনুমোদিত কেন্দ্র থেকে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (আইটিআই)-এর শংসাপত্র থাকতে হবে। এমন প্রার্থীদেরই প্রশিক্ষণের জন্য বেছে নেওয়া হবে। ফিটার, ইলেকট্রিশিয়ান, মেকানিস্ট, ওয়েল্ডার, প্লাম্বার, ইলেকট্রনিক্স, পেন্টার— এই সমস্ত ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

 

আগ্রহীদের উত্তর-পশ্চিম রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট সেলের ওয়েবসাইটে গিয়ে নাম নথিভুক্ত করতে হবে। ওই ওয়েবসাইটে নাম নথিভুক্তকরণ সম্পূর্ণ হওয়ার পর আবেদন জমা দিতে হবে। আবেদনের জন্য অনলাইনেই একটি ফর্ম পূরণ করতে হবে। ফর্মের সঙ্গে ছবি, স্বাক্ষর, মোবাইল নম্বর, ইমেল আইডি জমা দিতে হবে।

১০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আগ্রহীদের আবেদনপত্র পাঠাতে হবে। আবেদনের জন্য আলাদা করে ১০০ টাকা আবেদনমূল্য জমা দিতে হবে। আবেদনকারীদের দশমে প্রাপ্ত নম্বর, আইটিআইটি শংসাপত্রের ভিত্তিতে বাছাই করে নেওয়া হবে। প্রশিক্ষণ চলাকালীন সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ভাতা দেওয়া হবে। এই বিষয়ে আরও জানতে উত্তর-পশ্চিম রেলওয়ের ওয়েবসাইটটি দেখে নিতে হবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।