জাতীয় ক্রাশ-এর তকমা হাতছাড়া রশ্মিকার!

16th December 2023 12:04 am Country News
জাতীয় ক্রাশ-এর তকমা হাতছাড়া রশ্মিকার!


অভিনয় জীবন শুরু করেছিলেন দক্ষিণী ছবির মাধ্যমে। দক্ষিণী বিনোদন জগতে নিজের পরিচিতি তৈরি করে এ বার বলিউডের দিকে পা বাড়িয়েছেন অভিনেত্রী রশ্মিকা মন্দনা। বলিউডে একাধিক ছবিতে তিনি কাজও করে ফেলেছেন ইতিমধ্যেই। তাঁর শেষ মুক্তিপ্রাপ্ত হিন্দি ছবি ‘অ্যানিম্যাল’। গত ১ ডিসেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে সন্দীপ রেড্ডি বঙ্গা পরিচালিত ওই ছবি। ছবিতে রণবীর কপূরের সঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন রশ্মিকা। প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই বক্স অফিসে রমরমিয়ে ব্যবসা করছে এই ছবি। ইতিমধ্যেই ভারতীয় বক্স অফিসে ‘অ্যানিম্যাল’-এর উপার্জন ৫০০ কোটি ছুঁইছুঁই। বাণিজ্যিক নিরিখে ‘সফল’ ছবি ‘অ্যানিম্যাল’। সেই সাফল্য সত্ত্বেও ‘জাতীয় ক্রাশ’-এর তকমা হারালেন রশ্মিকা।

নিজের মিষ্টত্বের জন্য ‘জাতীয় ক্রাশ’-এর তকমা পেয়েছিলেন রশ্মিকা। বছর খানেক আগেও তাঁকে নিয়েই সবচেয়ে বেশি উৎসাহ ছিল নেটাগরিকদের মধ্যে। ফলে গুগলের ‘মোস্ট সার্চড’ তারকাদের তালিকাতেও জায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি। তবে এই বছর সেই শিরোপা আর পাওয়া হল না তাঁর। সেই জায়গা রীতিমতো ছিনিয়ে নিলেন ‘অ্যানিম্যাল’-এরই অন্য এক অভিনেত্রী, তৃপ্তি ডিমরি। গত কয়েক সপ্তাহে আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছেন তৃপ্তি। এমনকি, সুহানা খান, খুশি কপূরের মতো তারকা সন্তানকে পিছনে ফেলে জনপ্রিয়তম তারকাদের তালিকায় সবার উপরে জায়গা পেয়েছেন তিনি। এমনকি, তৃপ্তি টেক্কা দিয়েছেন ‘অ্যানিম্যাল’-এরই পরিচালক বঙ্গাকেও!

‘অ্যানিম্যাল’ ছবিতে রণবীর-রশ্মিকা জুটির চেয়ে অনেক বেশি চর্চা হয়েছে রণবীরের সঙ্গে তৃপ্তির জুটি নিয়ে। ছবিতে এক বিশেষ চরিত্রে দেখা গিয়েছিল তৃপ্তিতে। ৩ ঘণ্টা ২১ মিনিটের ছবিতে মাত্র কয়েক মিনিটের জন্যই পর্দায় দেখা গিয়েছে তাঁকে। তবে সেই কয়েক মিনিটেই নিজের ক্যারিশ্মা দেখিয়েছেন পর্দার ‘বুলবুল’। রণবীরের সঙ্গে তাঁর একাধিক ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। এমনকি, রণবীরের সঙ্গে অন্তরঙ্গ দৃশ্যে তাঁর অভিনয় পছন্দ হয়নি তৃপ্তির পরিবারের সদস্যদের। অভিনেত্রী জানান, তাঁর মা-বাবা নাকি ওই দৃশ্য দেখে মোটেই খুশি নন। তবে সমালোচক ও দর্শকের শুভেচ্ছাবার্তা পেয়ে আপ্লুত তিনি, জানান তৃপ্তি।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।