১০ বছর পর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য নতুন সিলেবাস

15th December 2023 10:57 am Country News
১০ বছর পর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য নতুন সিলেবাস


উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য এবার নতুন সিলেবাস ঘোষণা সংসদের।পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফে জানানো হয়েছে, এর আগে বিজ্ঞান বিভাগের কিছু পরিবর্তন করা হয়েছিল। সেই অনুসারে কলা বিভাগ এবং বাণিজ্য বিভাগে কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে।প্রত্যেকটি বিষয়ের জন্য পৃথক পৃথক কমিটি গঠন করেছে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ।আগামী শনিবার সংসদ এই কমিটিগুলিকে নিয়ে বৈঠকে বসছে। সংসদের পক্ষ থেকে সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য বলেছেন, "আমরা কেন্দ্রের বোর্ডগুলির সঙ্গে সমঞ্জস্য বজায় রেখে রাজ্যে ছাত্রছাত্রীদের কথা মাথায় রেখে নতুন করে সিলেবাস তৈরি করতে চাই। ২০১২-১৩ সালের সিলেবাস বদল হয়েছিল এখন আমাদের ফের সিলেবাস বদলের প্রয়োজন রয়েছে। সরকার অনুমোদন দিলে আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে নতুন সিলেবাসে ছাত্রছাত্রীরা পঠন-পাঠন করবেন।"জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালে যেই সকল পরীক্ষার্থীরা একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি হবে তাদের এই নতুন সিলেবাসে পড়াশোনা করতে হবে।সেই অনপযায়ী আগামী ২০২৫ সালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় সকলে এই নতুন সিলেবাস অনুসারে পরীক্ষা দেবে। এই প্রসঙ্গে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানিয়েছেন, সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য এই ধরণের সিলেবাসে পরিবর্তন করা খুবই দরকারি ছিল এবং এই পরিবর্তনের ফলে আমাদের রাজ্যের সকল পড়ুয়ারা ভবিষ্যতে উপকৃত হবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।